
আজ শনিবার ভোররাতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত-সহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজে অভিষেকের কালিঘাটের বাড়িতে হানা দেয় শালবনি থানার পুলিশ। সঙ্গে ছিল বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং কলকাতা পুলিশের একটি দলও। বাড়ির সামনে পৌঁছে একাধিকবার বাড়ির দরজা খোলার অনুরোধ জানানো হয়, কিন্তু কেউ দরজা খোলেনি বলে পুলিশের দাবি। এরপর পুলিশ বাড়ির দরজার তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে এবং পুরো বাড়ি তল্লাশি চালায়। তল্লাশি চলাকালীন পুরো বাড়ি ঘিরে রাখে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
আসলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত-সহায়ক আর্থিক তছরুপের মামলায় অভিযুক্ত। সেই মামলার সূত্র ধরেই এদিন তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তল্লাশির খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছান তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা খবর, দুজনের উপস্থিতিতেই বাড়িতে তল্লাশি চলে। যদিও সকাল ৮টা নাগাদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সেখান থেকে বেরিয়ে যান।
তল্লাশি হয়ে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তদন্তে আমি সব রকম সহযোগিতা করেছি। লুকিয়ে রেখেছি কি না, এর উত্তর তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের জিজ্ঞাসা করুন। আমি তদন্তকারী সংস্থা নই। আমার পুরো বাড়ি সার্চ করা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, একের পর এক মামলায় আগামী কয়েকদিন তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হবে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদককে। এর মধ্যে বিধানসভার “সই বিকৃতি” মামলায় আগামী ১৪ই জুন ভবানী ভবনে হাজিরা দিতে হবে অভিষেককে। পরের দিন অর্থাৎ ১৫ই জুন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে যেতে হবে সল্টলেকের ইডি দফতরে। ইতিমধ্যে নির্বাচনের সময় অভিষেকের “ডিজে বাজানো” মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে।

